”শ্রমিক বান্ধব ব্লগ”

Bangladesh Center for Workers’ Solidarity

Category: অন্যান্য

শাহানাজ বেগমের 60+বয়সেও আত্নমর্যাদার লড়াই……

আজ দক্ষ শ্রমিক,সময়ের সাথে সাথে সেই মানুষ হয় বৃদ্ধ,অদক্ষ,কখনো কারো বোঝােএমই একজন নারীর গল্প ,

শাহানাজ বেগমের ছেলে নাই ,মেয়ে আছে তিনি অন্যের সংসার করেন।কতক্ষন মাকে দেখবে ভরন পোষন ঔষধ তার তো সংসার আছে।তিনি বলেন জীবনে অনেক কাজ করেছেন কখনো রাস্তার কাজ,ইট ভাঙ্গা কাজ,গামের্ন্টস এ কাজ,কুড়িয়ার সাভির্স অফিসে ক্লিনার এর কাজ ও করেছেন।আমি মানুষটা কালো হতে পারি কাজকে খুব ভালোবাসি তার হাতের তৈরি মাটির চূলাটাও ঝকঝকে ও সুন্দর ,আজও পুরোনো কর্মস্থলের সকলেই দেখলেই জব্বর আদর করে ,খালা কেমন আছেন, আপনার শরীরটা কেমন আছে খোঁজখবর নেন।সকলের ভালোবাসা ঘেরা থাকলেও থেমে থাকেন নাই। মেরুদন্ড ,কোমড়,হাটু ব্যাথাসহ নানা রোগের মধ্যে ও শীতে পিঠা বিক্রি সহ সময় উপযোগি ইনকাম করেই চলছে তার 60+ জীবন সংগ্রাম। তিনি বিসিডাব্লিউএস এর এমপ্লয়িজ রোকসানা ইয়াসমিন শিমুল সাথে সেয়ার করছিলেন তার জীবনের গল্প।এবং শাহানাজ বললেন দুঃখ তো তার কাছেই বলা যায়- যে শুনে ও বুঝে ,ভালো থাকুক সকল বৃদ্ধ নরনারী।তবে বৃদ্ধরাও অদক্ষ নয় ।

Updated: March 1, 2026 — 2:23 pm

জাতীয় নির্বাচন বনাম শ্রমজীবী মানুষ…..

যেখানে দেশ বিনির্মানে শ্রমজীবী মানুষের উৎফুল্লতা প্রকাশ পাচ্ছে চাইলে এপথ সহজীকরন করা যেতো।কেননা শ্রমিকদের ভোটের উপর নির্ভর করছে আগামীর রাজনীতি।

  • প্রতিটি কারখানার বেতন সুনিশ্চিত করা এবং আর্থিক লেনদেন ভিত্তিক এ্যাপস্ ভোটের আগের রাতে লিমিট করা।এতে শ্রমিকদের আর্থিক ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।
  • যাতায়াতের জন্য সরকারী বরাদ্দকৃত বাস/রেল/লঞ্চ খরচ মূল্যে যাত্রীসেবা দেয়া।যতে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত হতে সবাই বিরত থাকেন।বিশেষ করে নারী ও শিশু।
  • প্রশাসন কিছুটা নিরব ভূমিকা পালন করায় শ্রমজীবীদের ১০০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা গুনতে হচ্ছে।ট্রাফিক সিস্টেম ভেঙে পড়ায় তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয়েছে।ভোগান্তিতে পড়েছে নারী ও শিশুরা।জ্যামের তীব্রতা এতটাই যে,আশেপাশের দোকান/হোটেলের খাবার সংকট দেখা দেয়।

এতটা ত্যাগ/কষ্ট পাড়বে কি তাদের আইনগত অধিকারের পথ সহজীকরন করতে…….

Updated: February 10, 2026 — 2:57 pm

রোবটের মত জীবন।

আমার নাম সাহিদা বেগম। আমি আগামী এ্যাপারেলস লিঃ এর একজন অপারেটর। প্রতিনিয়ত নাইট ডিউটি করেতে হয় রাত ১২টা পর্যন্ত এবং মাসে ০৩টি শুক্রবার ওভারটাইম অথবা জেনারেল করতে হয়। এত পরিমান ডিউটি করার কারনে রাতে ঠিকমত ঘুম হয় না, সকালে উঠে বিছানাটা উঠাতে সময় পাইনা। শীত আসার পর থেকে বিছানা উঠানো হয়না, ঠিকমত রান্না করে খেতে পারি না, শুধু ভর্তা আর ডাল-ভাত কোনো রকম রান্না করে খাই। ঠিকমত গোসল না করার কারনে শরিরে এলার্জি জনিত সমস্যা হয়েছে। আমার স্বামী নেই, নিজেকেই সংসার চালাতে হয়। ০১টি মেয়ে আছে মায়ের কাছে থাকে, সেইখানে মেয়ের পড়ালেখার খরচ দিতে হয় এবং মায়ের সমস্ত খরচ আমার বহন করতে হয়। আমার নিজের খরচ, ঘর ভাড়া, খাওয়া খরচ সহ সব মিলিয়ে এই চাকরির উপর নির্ভরশীল, তাই কষ্ট করে হলেও চাকরি করতে হয়। কিছুই করার নেই আমাদের গারমেন্টস শ্রমিকদের জীবনটাই এইরকম। কোন প্রতিবাদ করতে পারি না কারন যদি কেউ প্রতিবাদ করে তাহলে তাকে বলে- ”যদি নাইট ডিউটি করতে না পারো তাহলে চাকরি ছেড়ে চলে যাও”। আবার অনেক শ্রমিকদের প্রতিবাদ করার কারনে বের করে দিয়েছে। জানি না এই রোবটের মত ডিউটি করা কবে শেষ হবে।

Updated: February 15, 2026 — 1:31 pm
”শ্রমিক বান্ধব ব্লগ” © 2018