
বয়স টা এখনো ১৭ ছাড়েনি ,এরই মাঝে মাতৃত্বের দায়িত্ব কাধেঁ।চাকুরীটাও হাতছাড়া,সাব -কন্ট্রাক্ট কারখানাগুলোতে নামে মাত্র বেতনে কাজ করে দিন যায়।সেখানে ডে-কেয়ারের তো প্রশ্নই আসে না….

বয়স টা এখনো ১৭ ছাড়েনি ,এরই মাঝে মাতৃত্বের দায়িত্ব কাধেঁ।চাকুরীটাও হাতছাড়া,সাব -কন্ট্রাক্ট কারখানাগুলোতে নামে মাত্র বেতনে কাজ করে দিন যায়।সেখানে ডে-কেয়ারের তো প্রশ্নই আসে না….
রাহিমা ও পলাশ দুই জনেই একই কারখানায় কাজ করে। প্রেম করে বিয়ে করে পরে পরিবার মেনে নেয়, কিন্তু রাহিমার শ্বাশুড়ি মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। রাহিমা যখন গর্ভবতী তখন তার স্বামী ও শ্বাশুড়ি দুই জনে মিলে তাকে ঔষধ খাওয়ায় তারপর তার বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায়, সে তার বাপের বাড়িতে চলে যায, এই ফাকে তার স্বামী আরেক জনের সাথে প্রেম করে এবং শারীরিক সম্পর্ক করে, রাহিমা তার ১কাছে জানতে চাইলে সে স্বীকার করে না, রাহিমাকে বাড়ি নিয়ে যেতে চায়, রাহিমা সাব চিন্তা করে তাকে ডির্ভোস দিয়ে দেয়।

আমার নাম মোছাঃ সাহিদা খাতুন, বয়স ৩১ বছর। আমি একজন শারিরীক প্রতিবন্ধি। আমার হাাঁটতে ও কথা বলতে কিছুটা সমস্যা হয়। আমার স্বামী আরেকটা বিয়ে করে আমাকে ও আমার ছেলেকে ছেড়ে চলে গেছে। আমি আশুলিয়ার মুন রেডিওয়্যার লিঃ এর একজন হেলপার হিসেবে চাকরি করি। এই চাকরি করেই আমি সংসারের ও আমার ছেলের পড়ালেখার খরচ চালাই। গত ০৪/০৩/২০২৬ ইং তারিখে আমি অসুস্থ থাকায় আমার লাইনচীফকে ফোন করে জানাই ও ছুটি নেই। পরেরদিন অফিসে গেলে আমাকে পিএম-এর চেম্বারে পাঠায়। সেখানে পিএম সাহেবকে অসুস্থতার কথা বলি। তিনি আমাকে লাইন পরিবর্তন করে দেয়ার কথা বললে আমি আপত্তি জানাই। এরপর আমাকে এইচআর বিভাগে পাঠায়। সেখানে আমার কাছ থেকে কয়েকটা ফরমে ও সাদা কাগজে জোর করে স্বাক্ষর নেয় এবং ১৮/০৩/২০২৬ ইং তারিখ পর্যন্ত ডিউটি করতে বলে, এরপর আমাকে আর ডিউটিতে আসতে না করে দেয়। আমি পিসি কমিটিতে বিষয়টি জানালে তাদের অনুরোধে পিএম আমার রিজাইন বাতিলের ফরম পূরন করে এডমিন বিভাগে জমা দেয়। ১২/০৩/২০২৬ ইং তারিখে আমাকে এডমিন বিভাগে ডেকে নিয়ে জানায় আমার রিজাইন পাশ হয়ে গেছে এবং আমাকে রিজাইন বাতিলের ফরম ফেরত দিয়ে দেয়। একটা মেশিনের নষ্ট হওয়ার অধিকার আছে কিন্তু আমাদের মত মানুষদের অসুস্থ হওয়ার অধিকার নাই।