“বানের পানির ঢরোত ,গেরাম থুইয়া ঢাহাত আইছি।পানিয়ে আমোগ ছাড়ু নে” এভাবেই হতাশার কথা বলছিলো তহুরা আপা।সংসার চলে না যেখানে ,ফ্ল্যাট বাসায় থাকবে কিভাবে।তাই প্রতিদিন এভাবেই কজের জায়গা ও নিত্য বাজার এই পানির উপর দিয়েই করতে হয়।
বাড়তি আয়ের আশা……….অনলাইন প্রতারনার ফাঁদে শ্রমিকের স্বপ্ন
আমিনা(ছদ্ম নাম) কাজ করতেন স্থানীয় একটি কারখানায়।হঠাৎ করে কারখানা ৩ মাসের বকেয়া বেতন না দিয়ে বন্ধ হয়ে যায়।বিভিষিকাময় জীবনে একটু স্বচ্ছলতার আশায় ফেসবুকে দেখা চটকদার বিজ্ঞাপন“ঘরে বসে আয় করুন মাসে ১৫০০০ টাকা” দেখে তাদের সাথে যোগাযোগ।কাজ দেবার নামে দফায় দফায় রেজিস্ট্রেশন/বিকাশ এভাবে প্রায় ২০০০০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া।তারপর আরও টাকা দাবী,না দিলে হুমকী ।বিভিন্ন নাস্বার থেকে ফোন কল,ফ্রড পুলিশ সেজে ধামকি ।এরপর পুলিশের ভয়ে সুদের উপর আরও ১০/১৫ হাজার টাকা দেয়া।এভাবে আবার পুলিশি হুমকি এমনিতেই চাকুরী নাই,তার উপর এমন বিরম্বনা।পারছিলোনা পরিবারকে বলতে,না পারছিলো নিজে সহ্য করতে।সিদ্ধান্তে পৌছালো আত্যহত্যা ছাড়া আর কোন গতি নাই।এমনিতেই ৩ মাসের বাসা ভাড়া/দোকান বাকি তার উপর সুদের টাকার চাপ।জীবনটাই বোঝা হয়ে উঠেছে…..এই গল্প একজন আমেনার নয় ,এমন হাজারো আমেনা প্রতিনিয়ত প্রািরিত হচ্ছে।তাই এমন চটকদার বিজ্ঞাপন হতে সাবধান।
No এড ফি
No রেজিস্ট্রেশন ফি
কলম প্যাকেজিং এর কাজ করতে চাইলে ইন বক্স..!!কোনোরকম এড ফি ছাড়া কলম প্যাকেজিং এর কাজ করতে চাইলে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।যোগ্যতা:বাংলা পড়তে পারলে হবে।
ডেইলি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা।
ইমারজে’ন্সি কিছু লোক লাগবে।
কেউ করতে চাইলে আমাকে মেসেজ দিন।রেজিস্ট্রেশন ফি ছাড়া কলম প্যাকিং কাজ করতে চাইলে দ্রুত ইনবক্সে মেসেজ করুন”মেম্বার ” নি’বো
কা’জ অনু’যায়ী বে*তন
বা’সায় ব’সে কা’জ ক’রতে পার’বেন, সা’থে থা’কছে
মা’স শে’ষে গি’ফটফরম ফিলাপের কাজ
নো রেজিস্ট্রেশন ফি কে কে কাজ করবেন এখনই হাই লিখুন ইনবক্সেআমি গুরুতর ভাবে ১৫ জন বেকার ব্যক্তিকে খুঁজছি..?
যে আগামী কাল থেকে কাজ করতে প্রস্তুত।প্রতিদিনের টাকা প্রতিদিন তুলে নিবেন এমন কাজ করলে মেসেজ করবেন*নো রেজিষ্ট্রেশন ফ্রী কেউ কাজ করতে চাইলে ইনবক্সে মেসেজ করুন।
জলবায়ু পরিবর্তনঃ কে দায়ী আর কে ভুক্তভোগী?
আমার নাম মোছাঃ আরিফা, বয়স- ৩০ বছর। আমি আশুলিয়া এলাকার প্রায় ০৭ বছর যাবৎ পোশাক কারখানায় চাকরি করি। আামার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি থানায়। আমাদের জেলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বন্যাপ্রবন এলাকার একটি। ছোটবেলা থেকেই আমাদের এলাকার মানুষকে বন্যার সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে দেখেছি। প্রতি বছর আমাদের এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। আগে বছরে একবার বন্যা হতো, কিন্তু গত ১০-১২ বছর যাবৎ বছরে ২বার, কোন কোন বছর ৩ বার পর্যন্ত বন্যা হওয়া শুরু হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে অসময়ে অত্যাধিক বৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে মাঠের ফসল, পকুরের মাছ, গরু-ছাগল, হাস-মুরগি, ঘড়বাড়ি সব শেষ হয়ে যায়। বার বার ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেখানে জীবন যাপন করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। তাই জীবিকার তাগিদে ঢাকায় চলে আসি, এখানে গার্মেন্টেসে চাকরি করি। আমার এলাকার অনেকেই আমার মত ঢাকায় চলে এসছে। অনেকেই গ্রাম ছেড়ে একেবারে চলে এসেছে। আমার মা-বাবা এখনো গ্রামেই আছে। চাকরি করে প্রতিমাসে তাদেরকে কিছু টাকা পাঠাই। গত বছর মোট ০২ বার বন্যা হয়, জুন মাসে ও অক্টোবর মাসে। জুন মাসে একটানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে বন্যা দেখা দেয়। এই বন্যায় নিচু এলাকার ফসলি জমি ঢুবে যায়। তখন মাঠে বাদাম, পটল, পাট, তিল, মরিচের মত সবজি-ফসল ছিল, এগুলো সব শেষ হয়ে যায়। এরপরে মানুষজন আবার ফসল চাষ করে। অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে শুরুহয় প্রচন্ড ঝড় আর বৃষ্টি। অক্টোবর মাসে এমন ঝড় আমি আগে কখনো দেখি নাই। এরপর শুরু হয় বন্যা। এই বন্যায় শুধু মাঠের ফসল না, ঘড়বাড়িও তলিয়ে যায়। প্রকৃতির এমন ভয়ংকর চেহারার সামনে আমরা অসহায়। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে হওয়া এই ঝড়-বৃষ্টি-বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ আমরা কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমরা কতটুকু দায়ী?









Users Today : 107
Users Yesterday : 185
This Month : 1740
This Year : 50470
Total Users : 130968
Views Today : 266
Total views : 472318
Who's Online : 2