আমার ভাতিজিটা এই রানা প্লাজায় কাজ করতে এসে গলিত লাস হয়ে ফিরলো ।সস্তা শ্রম লাশের মিছিল,আর কান্নার আজাহারি ,হাজারও মায়ের বুক খালি আর দেখতে চাই না।আমার ভাতিজিটা আর ফিরে আসবেনা।আমরা বিচারের অপেক্ষায় ….


আমার ভাতিজিটা এই রানা প্লাজায় কাজ করতে এসে গলিত লাস হয়ে ফিরলো ।সস্তা শ্রম লাশের মিছিল,আর কান্নার আজাহারি ,হাজারও মায়ের বুক খালি আর দেখতে চাই না।আমার ভাতিজিটা আর ফিরে আসবেনা।আমরা বিচারের অপেক্ষায় ….



বয়স টা এখনো ১৭ ছাড়েনি ,এরই মাঝে মাতৃত্বের দায়িত্ব কাধেঁ।চাকুরীটাও হাতছাড়া,সাব -কন্ট্রাক্ট কারখানাগুলোতে নামে মাত্র বেতনে কাজ করে দিন যায়।সেখানে ডে-কেয়ারের তো প্রশ্নই আসে না….
রাহিমা ও পলাশ দুই জনেই একই কারখানায় কাজ করে। প্রেম করে বিয়ে করে পরে পরিবার মেনে নেয়, কিন্তু রাহিমার শ্বাশুড়ি মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। রাহিমা যখন গর্ভবতী তখন তার স্বামী ও শ্বাশুড়ি দুই জনে মিলে তাকে ঔষধ খাওয়ায় তারপর তার বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায়, সে তার বাপের বাড়িতে চলে যায, এই ফাকে তার স্বামী আরেক জনের সাথে প্রেম করে এবং শারীরিক সম্পর্ক করে, রাহিমা তার ১কাছে জানতে চাইলে সে স্বীকার করে না, রাহিমাকে বাড়ি নিয়ে যেতে চায়, রাহিমা সাব চিন্তা করে তাকে ডির্ভোস দিয়ে দেয়।
