গত কাল বৃহস্পতিবার রাত সাথে বেতনের সময় হওয়ায় রাস্তায় এবং গাড়িতে উপচে পড়া ভিড় ছিলো।উপায়ন্ত না দেখে উঠে পড়ি বিআরটিসি বাসে।আমার অপর প্রান্তে ১৮/২০ বছরের ছেলে বসা ,ঠিক তার সামনের সিটে ভার্সিটি পড়ুয়া কোন মেয়ে(অেনুমান)।হঠাৎ মেয়েটির চিৎকার ঐ ১৮/২০ বছরের ছেলের উপর। কেন তাকে ব্যাড টাচ্ করা হলো এবং ছেলেটি যথারীতি ছাফাই দেয়া শুরু করলো।আশ্চার্যের বিষয় বাসের কিছু কোর্ট বোট পড়া লোক মেয়েটিকেই থামতে বলছেন এবং হাত লাগতেই পারে এ বিষয়ে মেয়েটিকেই বুঝাচ্ছে।অথচ বাসের প্রতিটি নারী চুপ তারা দৃশ্য অবলোকন করছিলেন।কিছুটা সময় নিয়ে স্যুট-বোট পড়া লোককে জানালাম কেন আপনি মেয়েটিকে বুঝাচ্ছেন,ছেলেটিকে একবারের জন্যও কিছু বলছেন না,কেন তাকেই থামতে বলছেন,কেন ছেলটিকে সিট পরিবর্তন অথবা বাস থেকে নামাচ্ছেন না।অবাক বিষয় তিনি আমার উপর চিৎকার করে কথা বলতে শুরু করলেন।আমি নিজেও ছেড়ে দেয়ার মত ছিলাম না।সবার কথাতে ছেলেটির সীট পরিবর্তন করে দেয়া হয় এবং মেয়েটি আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরের স্টপেজে নেমে যান……….ভেবেছিলাম ঘটনা শেষ কিন্তু ২ স্টপেজ পর ৩ জন গারমেন্টসে কাজ করা আপারা উঠেন এবং ঐ ছেলেটির সামনেই বসেন ।৫ মিনিট পর একজন আপার সাথে একই ঘটনা ঘটে এবং এবার সুযোগ হয় স্যুট বাুট পরা লোকটিকে কিছু বলার এবং এবার উক্তক্তকারী ছেলেটিকে বাস থেকে নামিয়ে দেয়া হলো এবং ভদ্রলোকের পোষাক পরা জ্ঞানহীন লোকটি সরি বললেন।
লক্ষনীয়ঃ
- এখনো নারীকেই থামতে বলা হয়,তাকেই চিহ্ণিত করা হয়
- যাত্রীরা অভিযোগকৃত /প্রতিবাদকৃত ২ জনকেই বিশ্লেষন করেন
- এখনো বিড়ম্বনা /আত্মসম্মানের ভয়ে নারীরা কথা বলেন না.
রোকসানা ইয়াছমিন শিমুল
সেন্টার কো-অডির্নেটর
বড়বাড়ি-গাজীপুর