ঝুট বাছাই করার কাজে পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাও কঠোর পরিশ্রম করে কিন্তু নারী শ্রমিকরা তাদের পরিশ্রম অনুযায়ী পারিশ্রমিক পায় না। ৪০ কেজি থেকে ৬০ কেজি পর্যন্ত বস্তা মাথায় করে টানতে হয়। এখানে না আছে স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোন ব্যবস্থা, না আছে অগ্নি নিরাপত্তার ব্যবস্থা, না আছে নূন্যতম মজুরি, এই সেক্টরে আইনের কোন তোয়াক্কা করা হয় না। সকাল ০৮টা থেকে সন্ধ্যা ০৬/০৭ টা পর্যন্ত কাজ করে মজুরি পায় ৬,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকা। ২০২৫ সালে ওভারটাইম মজুরির হার ছিল ৩৩ টাকা প্রতি ঘন্টা কিন্তু ২০২৬ সালে তা কমিয়ে করা হয়েছে ২৯ টাকা প্রতি ঘন্টা। বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী মজুরি বাড়ানো যায় কিন্তু কমানোর কোন সুযোগ নেই। তবুও এখানে ওভারটাইম এর মজুরি ৪ টাকা প্রতি ঘন্টা কমানো হয়েছে। এখানে যারা কাজ করেন তাদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশের বয়স ৫০ বছর এর বেশি। বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, তার অন্য কোথাও কাজ পায় না তাই মূলত নীরুপায় হয়ে এখানে কাজ করে। তাদের বেশির ভাগের একমাত্র উপার্যনক্ষম ব্যক্তি তারাই অথবা স্বামীর একার আয়ে সংসার চলে না বিধায় তার এখানে কাজ করেন। এখান থেকে যেটুকু আয় হয় তা দিয়ে কোনমতে দুইবেলা খেতে পারে, তাই কষ্ট করে হলেও কাজ করে যাচ্ছেন। আবার কেউ কোন প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে বের করে দেয়, তাই কেউ কোন প্রতিবাদ করার সাহস করে না। এখানে আইন শুধুমাত্র বিত্তবানদের জন্য আর গরিবের জন্য শুধুই বঞ্চনা।






Users Today : 301
Users Yesterday : 279
This Month : 6676
This Year : 39569
Total Users : 120067
Views Today : 499
Total views : 433189
Who's Online : 3