আমরা কারখানায় কাজ করি ,আমাদের শ্রম আইন ও আছে,কিন্তু বাস্তবায়ন নাই,দেখার কেউ নাই ,যাদের হাতে ক্ষমতা আছে তাদের সাথে কথা বলার সাহস পাই না। চাকরীটা তো সোনার হরিণ যদি যায় পেট চলবে না।
Category: অন্যান্য
মা বলেছিলেন সবুরে মেওয়া ফলে
গরীব ঘরের মেয়ে বাছিরন ডাকনাম ময়না । গার্মেন্টস শ্রমিক । কঠোর পরিশ্রমি একজন মানুষ । দুচোখ ভরা একটু সুখের আশায় ঘর বাধেন জামাল উদ্দিন এর সাথে । কিন্তু কিছুদিন পরেই বুঝতে পারেন সুখ আসলে তার থেকে অনেক দূরে……..
তবুও দমে যান না ময়না । পরিশ্রম করে যান আর ভাবেন সুখ কে তিনি ঘরবন্দী করবেনই । ২০ বছরের সংসারে ময়না দুই সন্তানের জননী । এরই মধ্যে সয়েছেন অনেক যন্ত্রণা, গঞ্জনা, মারধর, অপমান এমনকি লোভী স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের মতো অপরাধও, ময়না ক্ষমা করেছেন হাসিমুখে । সন্তান আর সংসারের মায়ায় সয়েছেন সব অপমান ।

প্রতিটি কষ্টের সময়, যন্ত্রনার সময় ময়না মায়ের আওড়ানো একটি কথাই মনে করতো আর শক্তি সঞ্চয় করতো । মা সবসময় বলতো সবুরে মেওয়া ফলে ।
কিন্তু না ময়নার জীবনে সবুরে মেওয়া ফলে নি । আজ ময়না স্বামী, সংসার আর কষ্টে অর্জিত অর্থ সব হারিয়ে পথে বসেছে (তার রোজগারের সমস্ত টাকা তুলে দিতে হতো স্বামীর হাতে) এখন আর তার চোখে কোন স্বপ্ন নেই আছে অশ্রু । ময়নার সম্বল এখন অসুস্থতা, গরীবী, শরীরে (স্বামীর) মারের ক্ষত আর চোখে জল ।
তাই সকল নারী শ্রমিকদের বলবো কোন রকম অত্যাচার (শারিরীক বা মানসিক) কে প্রশ্রয় না দিয়ে আইনের আশ্রয় নিন ।
বাছিরন
গার্মেন্টস কর্মী
এই কষ্টের শেষ কোথায়……..
ঈদের পর থেকে একটানা ডিউটি করে যাচ্ছি,গরীব হয়ে এটাই আমাদের অপরাধ।




Users Today : 275
Users Yesterday : 279
This Month : 6650
This Year : 39543
Total Users : 120041
Views Today : 458
Total views : 433148
Who's Online : 5