”শ্রমিক বান্ধব ব্লগ”

Bangladesh Center for Workers’ Solidarity

Category: অন্যান্য

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নারী শ্রমিক ও শিশুদের ঝুঁকি ও আমাদের করনীয়

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নারী শ্রমিক ও শিশুরা সর্বপ্রথম ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই নায্য রুপান্তরে তাদের সুরক্ষা ও নেতৃত্ব অপরিহার্য। শ্রমিকদের জন্য যেমন নিরাপদ কর্মপরিবেশ, উপযুক্ত মজুরী, দক্ষতার উন্নয়ন, সুনেতৃত্ব প্রয়োজন ঠিক তেমনি শিশুদের জন্য পরিবেশ বান্ধব শিক্ষা ব্যাবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপদ পরিবেশ প্রয়োজন। নায্য রুপান্তরের কেন্দ্রে রয়েছে শ্রম অধিকার যেখানে শ্রমিকদের নিরাপদ পরিবেশ, উপযুক্ত মজুরী ও সংগঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্বব্যাপী সরকার, শ্রমিক এর সক্রিয় অংশগ্রহণ, এনজিও, শিল্প ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোর সমন্বিত উদ্যেগের মাধ্যমে এই রুপান্তরকে নায্য- সমতা ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা জরুরী যেখানে নারী শ্রমিক ও শিশুদের কে বিশেষ ভাবে বিবেচনায় রাখা হবে।

Updated: December 5, 2025 — 2:49 pm

আমার সহকর্মী নারীদের জলবদ্ধতায় ও রাস্তা পারাপারে ভোগান্তি…

লাঞ্চের সময় এক ঘন্টার মধ্যে বাসায় যাওয়া আসা ,লাঞ্চ করা ,বাচ্চাকে গোসল করানো ,খাওয়ানো খুব কষ্টকর হয়ে যায়।

তাড়াহুড়া করে রাস্তা পারাপারে সড়ক দূর্ঘটনাওবেশি হয়।

Updated: December 3, 2025 — 3:46 pm

নিজের মত করে বাঁচতে চাই।

আমার নাম হেলেনা আক্তার, বয়স ৩১ বছর। আমি একজন পোশাক শ্রমিক। ১৪ বছর বয়সে পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের ০৭ মাস পর থেকে আমার স্বামী আমার উপর নির্যাতন শুরু করে। প্রথমে ছোট-খাট ঝগড়া হত, পরে তা বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে আমি খেতে গেলে আমার স্বামী বকাবকি করে, ঘরে শুতে গেলে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেয়। এসব নিয়ে এলাকায় অনেকবার বিচার-শালিস হয় কিন্তু কোন কাজ হয়নি। আামাকে চলে যেতে বলতো, তারপরেও আমি সংসার করতে চেয়েছি।

হেলেনা আক্তার

আমি চলে যাইনা কেন সেই কারনে আমার স্বাামী রাতে তার সাথে দা নিয়ে ঘুমাতো, রাতে আমাকে মেরে ফেলার জন্য। প্রায় ০৭ বছর আগে আমি আমার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসি। এরপর জানতে পারি আমার স্বামীর অন্য একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে তাই সে আমাকে তাড়ানোর জন্য আমাকে এত নির্যাতন করেছে। আমাকে তার পছন্দ ছিল না, তাই আমার শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি কোথাও গেলে আমাকে আরো বেশি মারধর করতো। আমি ডিভোর্স চাইলে আমার স্বামী আমাকে বলে সে আমাকে ডিভোর্স দিবে না, প্রয়োজন হলে আমি যেন তাকে ডিভোর্স দেই। আমি মেয়ের খরচের জন্য টাকা চাইলে সে বলে, “আমি কোন টাকা দিবো না, তুই আমার যা করতে পারিস কর”। আমার মেয়ের বয়স এখন ১৩ বছর। তার পড়ালেখা ও সংসারের খরচ চালাতে গিয়ে কোন সঞ্চয় করতে পারি নাই। এখন আমি তাকে ডিভোর্স দিতে চাই এবং আমার পাওনাদি চাই যাতে আমার মেয়েকে পড়ালেখা করিয়ে আত্ননির্ভরশীল করতে পারি। এখন আমি নিজের মত করে বাঁচতে চাই।

Updated: December 2, 2025 — 4:14 pm
”শ্রমিক বান্ধব ব্লগ” © 2018