তারা স্কুলে যায়, খেলে, হাসে , নতুন কিছু শিখতে চায়।
তাদের স্বপ্ন হয়তো একদিন ডাক্তার হওয়া, শিক্ষক হওয়া, অথবা তাদের পরিবারের জন্য কিছু করা।
এই স্বপ্নগুলো তখনই সত্যি হবে – যদি আমরা তাদের নিরাপদ পরিবেশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সম্মান দিতে পারি।
তারা স্কুলে যায়, খেলে, হাসে , নতুন কিছু শিখতে চায়।
তাদের স্বপ্ন হয়তো একদিন ডাক্তার হওয়া, শিক্ষক হওয়া, অথবা তাদের পরিবারের জন্য কিছু করা।
এই স্বপ্নগুলো তখনই সত্যি হবে – যদি আমরা তাদের নিরাপদ পরিবেশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সম্মান দিতে পারি।

কন্যা শিশুকে ডে- কেয়ার সেন্টারে রাখার সময় নাই,কারন 6 বছর পর্যন্ত বাচ্চা রাখে ,বাচ্চার বয়স 7 বছর চলে ,বাবা নেশা-খোর বেকার ।বাচ্চার দিকেও কোন খেয়াল রাখে না। গোসল ,খাওয়া অন্যন্য যত্ন ,ছোট শিশুটা নিজের কাজ নিজে একাই করে। বর্তমান যুগে ছোট শিশুদের নিরাপত্তার অভাব। কর্মক্ষেত্রে ডে-কেয়ার সেন্টারে সন্তান রাখার বয়স বৃদ্ধিসহ ও শিশুর নির্যাতনমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ চাই।

আমার নাম মোছাঃ ময়না বেগম, বয়স- ২৫ বছর। আমি আশুলিয়া এলাকার একটি পোশাক কারখানায় প্রায় ৭বছর চাকরি করি। নুন্যতম মজুরি বাড়ানোর পর থেকে লাইনচীফ প্রোডাকশনের টার্গেট বাড়িয়ে দেয়। সঠিক সময়ে প্রোডাকশন দেওয়ার পরও সুপারভাইজার, লাইনচীফ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমার সাথে এমন ব্যবহার কেন করে তা জিজ্ঞাস করলে লাইনচীফ আমাকে বাজে প্রস্তাব দেয় এবং তার কথায় রাজি হলে আর এমন করবেনা বলে। নানা অজুহাতে আমার শরীরে বাজেভাবে স্পর্শ করে, হাত ধরে। প্রতিবাদ করতে গেলে বলে- কাজ করতে না পারলে রিজাইন দিয়ে চলে যা। আমি ৩/৪ বার ওয়েলফেয়ার অফিসার এর কাছে গিয়ে অভিযোগ করি কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি। বাধ্য হয়ে আমি মেনেজমেন্টের কাছে অভিযোগ করি। প্রতিবাদ করা এবং অভিযোগ দেওয়ার কারণে লাইনচীফ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি সহ হুমকি দিয়েছে “যে ভাবেই হোক তোকে আমি কারখানা থেকে বের করেই ছাড়ব“। এই নির্যাতনের শেষ কোথায়?
