আমার নাম হেলেনা আক্তার, বয়স ৩১ বছর। আমি একজন পোশাক শ্রমিক। ১৪ বছর বয়সে পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের ০৭ মাস পর থেকে আমার স্বামী আমার উপর নির্যাতন শুরু করে। প্রথমে ছোট-খাট ঝগড়া হত, পরে তা বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে আমি খেতে গেলে আমার স্বামী বকাবকি করে, ঘরে শুতে গেলে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেয়। এসব নিয়ে এলাকায় অনেকবার বিচার-শালিস হয় কিন্তু কোন কাজ হয়নি। আামাকে চলে যেতে বলতো, তারপরেও আমি সংসার করতে চেয়েছি।

আমি চলে যাইনা কেন সেই কারনে আমার স্বাামী রাতে তার সাথে দা নিয়ে ঘুমাতো, রাতে আমাকে মেরে ফেলার জন্য। প্রায় ০৭ বছর আগে আমি আমার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে আসি। এরপর জানতে পারি আমার স্বামীর অন্য একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে তাই সে আমাকে তাড়ানোর জন্য আমাকে এত নির্যাতন করেছে। আমাকে তার পছন্দ ছিল না, তাই আমার শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি কোথাও গেলে আমাকে আরো বেশি মারধর করতো। আমি ডিভোর্স চাইলে আমার স্বামী আমাকে বলে সে আমাকে ডিভোর্স দিবে না, প্রয়োজন হলে আমি যেন তাকে ডিভোর্স দেই। আমি মেয়ের খরচের জন্য টাকা চাইলে সে বলে, “আমি কোন টাকা দিবো না, তুই আমার যা করতে পারিস কর”। আমার মেয়ের বয়স এখন ১৩ বছর। তার পড়ালেখা ও সংসারের খরচ চালাতে গিয়ে কোন সঞ্চয় করতে পারি নাই। এখন আমি তাকে ডিভোর্স দিতে চাই এবং আমার পাওনাদি চাই যাতে আমার মেয়েকে পড়ালেখা করিয়ে আত্ননির্ভরশীল করতে পারি। এখন আমি নিজের মত করে বাঁচতে চাই।







Users Today : 36
Users Yesterday : 629
This Month : 6132
This Year : 39025
Total Users : 119523
Views Today : 283
Total views : 431688
Who's Online : 4