কারখানায় কত নারী শ্রমিক কাজ করে ,তাদের তো কত ধরনের সমস্যা হয়,পিরিয়ড হয় ,অনেক সময় অসুস্ত হয় পরে ,তখন কারখানার প্রাথমিক চিকিৎসা বা ছুটি কিছুই পায় না। সুপার ভাইজার দের তো মা, বোন,স্ত্রী আছে তারা যদি এটা অনুভব করে তাহলে নারীদের কস্ট বুজতে পারতো । আমার মনে হয় আমি যদি ম্যানেজম্যান বা ডাক্তার হতাম নারীদের ফ্রি চিকিৎসা করতাম,সুযোগ দিতাম ,তাহলে আমার উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পেত।নারী আমার মা ।
সাম্প্রতিক পোস্ট
সাম্প্রতিক মন্তব্য
অনুসন্ধান করুন
সদস্য পরিচয়
দর্শনার্থী তথ্য






Users Today : 544
Users Yesterday : 1053
This Month : 6011
This Year : 38904
Total Users : 119402
Views Today : 927
Total views : 430889
Who's Online : 2Your IP Address : 216.73.216.192
Server Time : 2026-06-13
Powered By XT Visitor Counter
আমাদের ঠিকানা
৪৬৪/এইচ ৪র্থ তলা, ইসলাম টাওয়ার, পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা-১২১৯। ম্যাপ এ দেখুন
অফিস সময়
রবিবার – শুক্রবার: সকাল ১০ ঘটিকা – বিকাল ৫ ঘটিকা
শনিবার: সাপ্তাহিক বন্ধ
আমাদের কারখানায় কোন মেয়ে নাই তবে পার্শ্ববর্তী লোকজনের মুখে যখন মেয়েদের কষ্টের কথা শুনে খুব খারাপ লাগে।
আমি নারীদের কস্ট বুজি।আমার সহধর্মীর সাথে সংসারের কাজে সহযোগিতা করি।
আসলেই খুব আফসোস লাগে কিছু কিছু মানুষের বিবেক বলে কিছু থাকে না।