এই আপা ১০০% রপ্তানীমুখী কারখানায় কাজ করেন গত ৫ বছরের উপরে।গর্ভবতী অবস্থায়ও তাকে কাজ করতে হয়েছে অন্য ১০ জনের মতোই।দারিদ্রতার কথা চিন্তা করেও কঠিন সময়ে চাকুরী ছাড়েন নাই।ডেলিভারীর ছুটিতে গেলে টাকা ও ছুটি ২ টাই দেয়।বাচ্চার বয়স ৪ মাস শেষের দিকে।বাচ্চার নিউমোনিয়া হইছে ,কঠিন সময়ের মাঝ দিয়ে যাচ্ছেন।৬ দিন ধরে এ্যাবছেন্ট করছেন।রিজাইন দিতে গিয়েছিলেন,ওয়েলফেয়ার ম্যাডাম বলছে তুমি যতদিন লাগে ছুটি কাটাও ,পরে এসে জয়েন কইরো।আজকে চূড়ান্তভাবে ই সিদ্ধান্ত নিলেন বাচ্চা ১ বছর না হওয়া পর্যন্ত আর চাকুরী করবেন না।কিন্তু কপালে সেই চিন্তার ভাজ আর নিজে নিজেই আওরাতে লাগলেন …..
- ডে-কেয়ারের পরিবেশটা যদি ভালো হইতো
- চোখের সামনে বাচ্চাটাকে দেখতে পারলে তো এত ঘাঢ়ভাবে নিউমোনিয়া হতো না..
- অফিসের মেডিকেলের ডাক্তাররা যদি ভালো হইতো ,আমার বাচ্চাটার এতো কষ্ট হইতো না
- ঠিকমতো বুকের দুধ খাওয়াতে পারলে ,ঠান্ডার সমস্যাই হয়তো হইতো না……আমার চাকরীটাও ছাড়তে হইতো না।
কথাটি শুধু এক সাবিনা আপার না,আমার আপনার মতো হাজারো মায়েদের……নরীর ক্ষমতায়নে এটি একটি বড় অন্তরায়।সরকারী -বেসরকারী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বাচ্চা রাখার উপযোগী ডে-কেয়ার সেন্টার বাধ্যতামূলক করা হোক এবংপর্যবেক্ষনের জন্যশক্তিশালী মনিটরিং সেল গঠন করা হোক।






Users Today : 902
Users Yesterday : 142
This Month : 3832
This Year : 19850
Total Users : 100348
Views Today : 1235
Total views : 385886
Who's Online : 5