সহকর্মীর বাসায় গিয়ে দেখতে পেলাম.কত ধরনের কষ্ট… একটু খরচ কমাতে ভুগতে হয় অনেক ধরনের সমস্যা,আশেপাশে নোরাং পানি,গ্যাসের সংযোগ নাই,খড়ির চুলার রান্না,কাপড় শুকানো,এর মধ্যে ঘর থেকে পড়ে পানি।
আমরা চাই কোম্পানী থেকে কোয়াটার এর ব্যাবস্থা করা হোক।
সহকর্মীর বাসায় গিয়ে দেখতে পেলাম.কত ধরনের কষ্ট… একটু খরচ কমাতে ভুগতে হয় অনেক ধরনের সমস্যা,আশেপাশে নোরাং পানি,গ্যাসের সংযোগ নাই,খড়ির চুলার রান্না,কাপড় শুকানো,এর মধ্যে ঘর থেকে পড়ে পানি।

আমরা চাই কোম্পানী থেকে কোয়াটার এর ব্যাবস্থা করা হোক।
সেদিন সহকর্মী লাকীর বাসায় গেছিলাম। গিয়ে দেখি ওর বাসা পানির ওপরে ভাসে, টিনের চাল, গরমে টিন তেতে উঠে। তবুও বাসার ভেতরে সবাই মিলে হাসিখুশি, পাশে একজন আচার রোদে দিছে। খুব ভালো লাগছিল।
কিন্তু ভাবলাম, একটা ঝড়েই যদি উড়ে যায় এই ঘর? তখন কোথায় যাবে ওরা? নতুন বাসায় উঠার মতো টাকা তো আমাদের থাকে না। বেতনেই চলা মুশকিল।
আমাদের জীবনটাও যেন এই ভাসমান ঘরের মতো — কখন কী হয়, ঠিক নেই। তবুও আমরা একে-অপরকে ধরে রাখি, বাঁচার চেষ্টা করি।
