প্রতিদিন সকাল ৮ (আট) টা থেকে রাত ১১ (এগার) টা পর্যন্ত কাজ করতে করতে শরীর আর চলে না ।
দিন গুনতে থাকি কবে শুক্রবার আসবে। একটু আরাম করব বাসায়, ছেলে মেয়েদের সময় দিব।পোড়া কপাল ,বৃহস্পতিবার বিকালে শুনতে হয় শুক্রবার ডিউটি আছে।।
প্রতিদিন সকাল ৮ (আট) টা থেকে রাত ১১ (এগার) টা পর্যন্ত কাজ করতে করতে শরীর আর চলে না ।
দিন গুনতে থাকি কবে শুক্রবার আসবে। একটু আরাম করব বাসায়, ছেলে মেয়েদের সময় দিব।পোড়া কপাল ,বৃহস্পতিবার বিকালে শুনতে হয় শুক্রবার ডিউটি আছে।।
কম্পিউটার লেখতেছি অনেক ভালো লাগতাছে। অনেক কিছু শিখতে চাই।

একবিংশ শতাব্দীর পুরোটা জুড়েই চলছে প্রযুক্তির জয়জয়কার। দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি কাজে প্রযুক্তির কাছে মানুষ এখন দায়বদ্ধ। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে গার্মেন্টেসে কর্মরত পিছিয়ে পড়া শ্রমিকেরাও এখন দিনদিন প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায় গার্মেন্টেসে কর্মরত প্রায় প্রতিটি শ্রমিক/ শ্রমিকের পরিবারের নিকট ছোট বৈদ্যুতিক ডিভাইস (স্মার্ট ফোন) রয়েছে।
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে/ সময়ের প্রয়োজনের খাতিরে/ বিনোদনের চাহিদা মেটাতে শ্রমিকেরা ছোট ডিভাইসের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া এ্যাপ্স ব্যবহার করে থাকে যেমনঃ ফেসবুক, ইমু, ইমেল, ইউটিউব, ভিডিও এডিটর এ্যাপ্স, টিকটক, ম্যাসেঞ্জার, লাইকী ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তু শ্রমিকেরা সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো এবং মন্দ দিকগুলা না জানার কারণে প্রতিনিয়ত নিম্ন লিখিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেনঃ
আমরা সবাই জানি, বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো বেশ জনপ্রিয়।বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোর একটা বিপ্লব চলছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোর যাত্রা অনেক আগে থেকে শুরু হলেও মূলত ২০১০ সালে পৃথিবীজুড়ে ভালোভাবে আত্মপ্রকাশ করে। যেকোন প্রযুক্তি রাতারাতি আবিষ্কৃত হয় নি। আসলে শত শত বছরের বিভিন্ন কনসেপ্ট থেকেই সেগুলো আবিষ্কার হয়েছে। তেমনি করে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোর আবিষ্কারের ক্ষেত্রে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। ইন্টারনেট আবিষ্কারের পর সোশ্যাল মিডিয়ার মুল ধারণা মানুষের মধ্যে আসে। প্রাচীনযুগে মানুষ চিঠিপত্র আদান প্রদানের মাধ্যমে ভাবের আদান-প্রদান করতো। তবে এক্ষেত্রে তথ্য আদান-প্রদান করতে দীর্ঘ সময় লেগে যেত। মূলত চিঠিপত্র আদান প্রদানের এই ধ্যানধারণা থেকেই আজকের এই আধুনিক সোশ্যাল মিডিয়ার আবির্ভাব। সোশ্যাল মিডিয়ার মুল বৈশিষ্টই হল সহজতর যোগাযোগ ব্যবস্থা !
শুধু গার্মেন্টস শ্রমিকেরা নয় দিনের-পর-দিন ধরে আমরা সকলেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে যাচ্ছি এবং ব্যবহারের হার দিনকেদিন বেড়েই চলছে। ব্যক্তিগত আচরণ থেকে শুরু করে পেশাগত কাজে সবকিছুতেই ইন্টারনেটকে জড়াতে হয় যেখানে অভিনেতা স্বয়ং আমি, আপনি এবং আমরা।
এ সমস্যার সমাধান একটাই, আমাদের বদলাতে হবে, শ্রমিক ভাই-বোনদেরকে বদলে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে, বাংলাদেশ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন অনুযায়ী আমাদেরকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আরও সচেতন হতে হবে, শ্রমিক ভাই-বোনদেরকে তথ্য প্রযুক্তির উপর উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিতে হবে, খুব কম সময় নিয়ে নিজেদেরকে সোশ্যাল মিডিয়ায় জড়াতে হবে। কেবল আমাদের ব্যবহারের আধিক্য কমে গেলেই প্রযুক্তিবিদরা বাধ্য হয়ে তাদের কলাকৌশল সংস্কার করে আমাদের প্রাইভেসি বজায় রেখে টেকনোলজি ঢেলে সাজাবে।
নওশাদ রায়হান
বিসিডব্লিউএস- কোনাবাড়ী